মে ১৪, ২০২৬ ১:৪৮ অপরাহ্ণ

৫ জনকে গলা কেটে হত্যা : চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাল পুলিশ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক,অমৃতালোক :

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া এই রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার (৯ মে) সকালে ওই বাড়ি থেকে ফোরকানের স্ত্রী, তিন শিশুসন্তান ও শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন—ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (২২)।

স্থানীয়রা জানান, হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে পরিবারের সদস্যদের ‘শেষ করে দেওয়া হয়েছে’ বলে জানান।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ফোরকানের স্ত্রীকে জানালার সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল ২ থেকে ৫ বছর বয়সি তিন শিশুর গলাকাটা মরদেহ।

আর খাটের ওপর ফোরকানের শ্যালকের গলাকাটা মরদেহ পাওয়া যায়। বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া বাড়ির ভেতরে যে তিনটি স্থানে মরদেহগুলো পড়ে ছিল, তার প্রতিটি জায়গাতেই মরদেহের পাশে প্রিন্ট করা কাগজ পাওয়া গেছে। এসব কাগজের বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা না গেলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো কোনো মামলার নথিপত্র।

কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে থেকে পাওয়া প্রিন্ট করা কাগজ পড়ে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এই ঘটনার সঙ্গে ফোরকানও জড়িত। তা ছাড়া ঘরে রান্না করা সেমাই, কোকাকোলা ও একটি মদের বোতল পাওয়া গেছে। খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মেশানো হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছি আমরা।’

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

উদ্ধার হওয়া অভিযোগের কপিগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ