অক্টোবর ৮, ২০২৬ ৬:২৯ অপরাহ্ণ

রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক, অমৃতালোক:

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ক্যাম্প দুটি পরিচালিত হবে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সৌরবিদ্যুৎচালিত বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াচটাওয়ার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় প্রতিনিয়ত অপহরণের ঘটনা ঘটছে। বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষকে অপহরণ করে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এ ধরনের বহু ঘটনা ঘটেছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এর আগে কক্সবাজারে মাদকসংক্রান্ত একটি সভায় অংশ নেওয়ার সময়ও রঙ্গিখালীসহ দুটি এলাকায় সেনাক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, সেখানে সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্যাম্পগুলোর ভেতরে মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার এবং বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আনাগোনার মতো সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি অস্ত্রসংক্রান্ত অপরাধসহ প্রচলিত আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধও সংঘটিত হচ্ছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ