মিজান নয়ন, অমৃতালোক:
৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান। এ সময় দেশের বিভিন্ন নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞার এই ২২ দিন কীভাবে পরিবার চালাবেন এনিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া পাড়ের জেলেরা।
জেলেরা জানান, বছরের পর বছর নদীতে মাছ ধরলেও তাদের অনেকেরই সরকারি জেলে কার্ড ভাগ্যে জোটেনি। আবার মাছ না ধরেও জেলে কার্ড পেয়েছেন অনেকে । একারণে প্রকৃত জেলেরা সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী চরফ্যাশন উপজেলায় নিবন্ধিত ও কার্ডধারী জেলের সংখ্যা ৪৪হাজার ৩১১জন। তবে এবার ৩৫হাজার ৬৫৬ জনের জন্য ভিজিএফ চাল বরাদ্দ এসেছে। ফলে ৮হাজার ৬৫৫ জন কার্ডধারী জেলে ভিজিএফ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সামরাজ ঘাটের জেলে ফরিদ জানান,তিনি নদীতে মাছ ধরেন কিন্তু তার জেলে কার্ড হয়নি। নিষেধাজ্ঞার ২২দিন কিভাবে সংসার চলবে এনিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি।
হাজারীগঞ্জের জেলে হোসেন ও মোতালেব বলেন, আমরা জেলে কিন্তু জেলে তালিকায় আমাদের নাম নাই। নিষেধাজ্ঞার ২২দিন কিভাবে সংসার চলবো এনিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
সামরাজ ঘাটের জেলে মো. মহিউদ্দিন জানান, জেলে তালিকায় তার নাম থাকলেও তাকে চাল দেয়া হয়না। চাল নিয়ে যায় বড় বড় মিয়ারা।
চরফ্যাশনের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন,মা ইলিশের প্রজননের জন্য ২২ দিন মা ইলিশকে নির্বিগ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ দেয়া গেলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। নিষেধাজ্ঞা সফল করতে তিনি জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন। জেলে কার্ড না পাওয়া এবং জেলে নয় এমন ব্যাক্তিদের কার্ড পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এতালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে।








