এপ্রিল ১৭, ২০২৬ ৮:৫৯ অপরাহ্ণ

দু-তিন বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট : বাণিজ্যমন্ত্রী

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক,অমৃতালোক :

বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেটকে একটি আধুনিক পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে এবং আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, শহরের বাইরে শিল্প ও উৎপাদন খাতে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এতে প্রবাসী ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়া সিলেটে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

দু-তিন বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট : বাণিজ্যমন্ত্রী
জনগণের অধিকার আদায়ে এক চুলও ছাড় নয় : ডা. শফিকুর রহমান
তিনি আরও বলেন, একটি শহরকে প্রাণবন্ত করতে হলে অন্তত দুটি শর্ত পূরণ জরুরি। তা হলো- উন্নত অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ মানুষের এ শহরে পরিকল্পিত উন্নয়ন সম্ভব হলেও অপরিকল্পিত বসতি বাড়তে থাকলে কোনো পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না।

দু-তিন বছরের মধ্যেই বদলে যাবে সিলেট : বাণিজ্যমন্ত্রী
পরীক্ষায় তুমিও ফেল, ছয় মাস পর আমিও ফেল : শিক্ষামন্ত্রী
জলাবদ্ধতার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এটি শুধু সাময়িক ভোগান্তি নয় বরং দীর্ঘমেয়াদে বড় সংকটে পরিণত হতে পারে। একদিনের বৃষ্টির পানি যদি দীর্ঘ সময়েও না নামে, তাহলে তা টেকসই নগর ব্যবস্থার জন্য হুমকি। এ জন্য উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পরিকল্পিত সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

নগরে খোলা জায়গা ও বিনোদন সুবিধার অভাবের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শহরবাসীর জন্য উন্মুক্ত স্থান নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, প্রতিটি প্রকল্পের শিরোনাম, ব্যয়, মেয়াদ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তথ্য প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা উচিত। এতে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়বে এবং অনিয়ম কমবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেটের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে এবং তিনি নিজেই এ নগরের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। গ্রিন ও ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আধুনিক নগর গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সিটি করপোরেশনের সচিব মো. আশিক নূরের পরিচালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা সুনন্দা রায়, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা (অ.দা.) নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রকৌশলীরা।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ