জ.ই বিদ্যুৎ,সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,অমৃতালোক:
ডায়েট শুরু করলেই অনেকের প্রথম লক্ষ্য থাকে ওজন কমানো। কিন্তু বাস্তবতা হলো—ওজন মাপার যন্ত্র সব সময় শরীরের ভেতরের পরিবর্তনের সঠিক তথ্য তুলে ধরে না। অনেক ক্ষেত্রে ওজন একই থাকলেও শরীরের মেদ কমতে শুরু করে। এই পরিবর্তনগুলো খুব সূক্ষ্ম হওয়ায় সহজে ধরা পড়ে না।
কিন্তু মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করলেই তা বোঝা সম্ভব।
ওজন কমছে কী না তা বোঝার কৌশলগুলি তুলে ধরা হয় আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে।
প্রথমত, ডায়েট শুরুর দিন কয়েক পর ওজন কিছুটা কমবে। কিন্তু এরপর দুই থেকে তিন সপ্তাহ ওজন একই জায়গায় স্থির থাকবে।
তখন হতাশ হবার কিছু নেই। এ সময় শরীরের ফ্যাট আস্তে আস্তে গলছে। এটি সরাসরি ওজন মাপে প্রতিফলিত না হয় না ফলে সরাসরি লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই তা চোখে পড়ার মতোভাবে কমতে শুরু করবে।
দ্বিতীয়ত, আগের তুলনায় বেশি খিদে লাগা একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। শরীরে ক্যালোরির ঘাটতি তৈরি হলে এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় হলে এমনটা হয়। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠেই যদি তীব্র ক্ষুধা অনুভূত হয় তবে বুঝতে হবে শরীর সঠিকভাবে কাজ করছে এবং মেদ ঝরার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তৃতীয়ত, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার পর মাঝে মাঝে মাথাব্যথা হতে পারে। এটি অনেক সময় শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়ার অংশ, যা মেদ কমার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
চতুর্থত, স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বার মূত্রত্যাগ হলে সেটিও একটি লক্ষণ হতে পারে। শরীরের জমে থাকা টক্সিন ও অতিরিক্ত উপাদান বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় এমনটা ঘটে।
সবশেষে, ওজনে তেমন পরিবর্তন না এলেও যদি পোশাক ঢিলেঢালা হয়ে যায়, সেটি সবচেয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত যে শরীরের বিভিন্ন অংশে জমে থাকা ফ্যাট কমছে।
তাই শুধু ওজনের ওপর নির্ভর না করে শরীরের এই সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।








