স্পোর্টস ডেস্ক , অমৃতালোক:
২০২৪ সালে সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদের মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ফিল সিমন্স। এরপর গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) সভাপতি পদটি রীতিমতো মিউজিক্যাল চেয়ারে পরিণত হয়েছে। এরই মধ্যে তিনজন ভিন্ন বোর্ড প্রধান দেখে ফেলেছেন এই ক্যারিবীয় কোচ। তবে মাঠের বাইরের প্রশাসনিক পালাবদল নিয়ে মোটেই বিস্মিত নন সিমন্স। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের আগে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বোর্ডের এই পরিবর্তন তার বা খেলোয়াড়দের ওপর কোনো প্রভাব ফেলেনি।
গত ৭ এপ্রিল অনিয়মের অভিযোগে আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। বর্তমানে অ্যাড-হক কমিটির অধীনে বিসিবির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সাম্প্রতিক এই পরিবর্তন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেন, ‘প্রথমত হচ্ছে, এতে আমাদের কাজ বা অনুশীলনে কোনো প্রভাব পড়েনি। আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলাম, ঠিক সেভাবেই ক্যাম্প হয়েছে।’
খেলোয়াড়দের ওপর এর কোনো মানসিক প্রভাব পড়েছে কি না এমন প্রশ্নে কোচ বলেন, ‘এটা খেলোয়াড়দের কাছেই জিজ্ঞেস করতে হবে। তবে আমার চোখে কোনো প্রভাব পড়েনি। তারা সব কাজ করেছে, আগের মতোই কঠোর পরিশ্রম করেছে, বরং অনেক ক্ষেত্রে আরও বেশি করেছে। সিরিজের প্রস্তুতিও ঠিকভাবেই চলছে।’
বোর্ডের নেতৃত্বে হঠাৎ হঠাৎ এই পরিবর্তন তাঁকে অবাক করেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সিমন্সের উত্তর, ‘আমি এখন আর কিছুতেই অবাক হই না। এটা শুধু বাংলাদেশের বিষয় নয়, জীবনেরই অংশ। প্রতিদিনই অনেক কিছু ঘটে, তাই এসব আমাকে আর অবাক করে না।’
ফারুক আহমেদ ও আমিনুল ইসলামের পর এখন তামিম ইকবালের বোর্ডে কাজ করছেন সিমন্স। তবে নিজের কাজের ধরনে কোনো বদল আসেনি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এখন তৃতীয় বোর্ড প্রধান দায়িত্বে আছেন, কিন্তু এতে আমার কাজে কোনো পরিবর্তন আসেনি। দলকে প্রস্তুত করা বা কোচিং স্টাফ হিসেবে আমাদের কাজের ধরনে কোনো প্রভাব পড়েনি। আমরা যেভাবে কাজ করছিলাম, সেভাবেই চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা যা গড়ে তুলতে চেয়েছি, সেটির দিকেই এগোচ্ছি। এখন পর্যন্ত কেউ এসে সেটি বদলানোর চেষ্টাও করেননি।’








