অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৯:১৭ অপরাহ্ণ

৭৪ বছর পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের নেতৃত্বে পাকিস্তান

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক,অমৃতালোক:
দীর্ঘ ৭৪ বছর পর আবারও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার সভাপতিত্ব করতে যাচ্ছে পাকিস্তান। ২০২৭ সালের বার্ষিক সভা পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে দেশটি। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এর আগে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী সংস্থা দুটির বার্ষিক সভায় সভাপতিত্ব করেছিলেন। সেই হিসাবে সাত দশকেরও বেশি সময় পর আবারও এই দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে দেশটি।

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পর্যায়ক্রমে বার্ষিক সভার সভাপতি নির্বাচন করা হয়। এ দায়িত্ব পালনের জন্য সাধারণত কোনো দেশের অর্থমন্ত্রী, অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী কিংবা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধানকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়।

পাকিস্তানে বিশ্বব্যাংকের কার্যক্রম দেখভাল করে অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভাগ এবং আইএমএফ-সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিচালনা করে দেশটির অর্থ বিভাগ। বিশ্বব্যাংকে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী আহাদ খান চিমা। এ কারণে বার্ষিক সভার সভাপতির দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছে দেশটি।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এর আগেও কয়েকবার এই দায়িত্ব পালনের নজির রয়েছে। ১৯৫০ সালে ভারতের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী চিন্তামন ডি দেশমুখ প্রথম এই দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান, ১৯৬৮ সালে শ্রীলঙ্কা এবং ১৯৯৯ সালে নেপাল আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় সভাপতিত্ব করে।

তবে এই দায়িত্ব মূলত আনুষ্ঠানিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ২০২৭ সালের ৪ থেকে ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠেয় বার্ষিক সভার কার্যক্রম পরিচালনা এবং সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া হবে পাকিস্তানের প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে অন্যতম।

সভাপতির পদ পাওয়ার ফলে পাকিস্তান বাড়তি ভোটাধিকার বা ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো সুবিধা পাবে না। কারণ, ঋণ অনুমোদন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সংস্থা দুটির পৃথক কার্যকরী পর্ষদের হাতে।

তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই দায়িত্বকে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক সংকট ও অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার সুযোগ পাবে দেশটি।

সূত্র: দ্য ডন

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ