সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১:২২ অপরাহ্ণ

পে-স্কেলের মূল বেতন বাস্তবায়িত হবে তিন ধাপে, ভাতা দেওয়া হবে ২০২৮ সালে

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক,অমৃতালোক :

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে বহুল প্রতীক্ষিত ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬’ অনুমোদন পায়।

নতুন এই বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর হবে; তবে অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্ভাব্য মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় এটি একযোগে নয়, বরং দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি জানান, ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১২ থেকে ২০তম গ্রেডে মূল বেতন ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বেতন স্কেল বাস্তবায়নের আর্থিক সংস্থান ও সার্বিক মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ কমাতে সরকার ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ এই দুই অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে মোট তিন ধাপে মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। তবে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতাগুলো ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতিতে ধাপভিত্তিক নিট পেনশন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিচার বিভাগের জন্য ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেল’ নির্ধারণে একটি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জুডিশিয়াল সার্ভিসের নতুন স্কেল চূড়ান্ত করা হবে এবং সেটিও চলতি বছরের ১ জুলাই থেকেই একইভাবে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আর্থিক প্রভাব ও সুবিধাভোগীদের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে সামরিক ও বেসামরিক মিলিয়ে প্রায় ২৪ লাখ চাকুরিজীবী এবং প্রায় সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন। এর ফলে সরকারের বার্ষিক অতিরিক্ত আর্থিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা, যার সংস্থান সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোর জাতীয় বাজেটে রাখা হয়েছে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ