জ.ই বিদ্যুৎ,সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট,অমৃতালোক:
মসলা চা তৈরি হয় চা-পাতার সঙ্গে দুধ, আদা, এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোলমরিচসহ বিভিন্ন মসলা মিশিয়ে। এই চায়ের ঘ্রাণ ও স্বাদই একে অন্যসব চা থেকে আলাদা করেছে। বাংলাদেশেও অনেক পরিবারে আদা বা এলাচ দিয়ে চা তৈরির প্রচলন রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার দিন বা শীতের সকালে এক কাপ গরম মসলা চা অনেকেরই প্রিয়।
উল্লেখ্য তালিকায় ভারতের আরো কয়েকটি জনপ্রিয় চাও স্থান করে নিয়েছে। তালিকায় দার্জিলিং চা রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে, আসাম চা ১৩তম, কেরালার সুলায়মানি চা ৩৯তম, হিমাচল প্রদেশের কাংড়া চা ৪১তম এবং জম্মু-কাশ্মীরের নুন চা রয়েছে ৪৩তম স্থানে। এটি প্রমাণ করে, দক্ষিণ এশিয়ার চায়ের বৈচিত্র্য ও স্বাদ বিশ্বজুড়েই সমাদৃত।
শুধু চা নয়, বিশ্বের সেরা চা-বাগানের তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছে ভারতের কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী চা-বাগান। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মাকাইবাড়ি টি এস্টেট, যা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন চা-বাগান হিসেবে পরিচিত।
এ ছাড়া আসামের হালমারি টি এস্টেটও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্বীকৃতি শুধু একটি পানীয়ের নয়, বরং চা ঘিরে গড়ে ওঠা সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারারও স্বীকৃতি। এক কাপ চা যেমন ক্লান্তি দূর করে, তেমনি পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে আড্ডা জমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চায়ের স্বাদ ও গুণের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রমাণ করে, দক্ষিণ এশিয়ার চা শুধু এ অঞ্চলের মানুষের নয়, বিশ্বের লাখো চা-প্রেমীর কাছেও সমান জনপ্রিয়।








