স্পোর্টস ডেস্ক , অমৃতালোক:
নেট রান রেটে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে ত্রিদেশীয় সিরিজে ফাইনালে উঠতে হলে আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকাতে হতো। কিন্তু এই সমীকরণ মেলানো দূরে থাক, ব্যাটিং ব্যর্থতায় আরেকটি পরাজয়ে গ্রুপ পর্বেই বিব্রতকর বিদায় হলো বাংলাদেশের।
শারজাহতেে আজ রীতিমতো বিধ্বস্তই হলো টাইগাররা। ন্যূনতম লড়াইটাও করতে পারলেন না তৌহিদ হৃদয়-তাসকিন আহমেদরা।
বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে টানা দ্বিতীয় জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছে গেল আফগানিস্তান। শিরোপার মঞ্চে শুক্রবার তাদের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।
ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার দিনে বল হাতে কাঙ্ক্ষিত সমীকরণ মেলাতে পারেননি বোলাররাও। ২৭.১ ওভারেই আফগানিস্তান ১২১ রান তুলে ফেললে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘণ্টা বেজে যায় বাংলাদেশের। শেষ পর্যন্ত একচেটিয়া দাপট দেখানো আফগানিস্তান ১৬১ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ৮৭ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে।
এর আগে শারজাহর উইকেটে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের লড়াকু ৭০ রান ছাড়া বাকি ব্যাটাররা ছিলেন একেবারেই ব্যর্থ। আফগানদের হয়ে একাই ৪ উইকেট শিকার করে ধস নামান লেগ-স্পিনার রশিদ খান।
১২০ রান স্পর্শ করার আগেই আফগানদের আটকে রাখার কঠিন লক্ষ্য নিয়ে বোলিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। শুরুতেই বিপজ্জনক রহমানউল্লাহ গুরবাজকে বোল্ড করে আশার আলো জ্বালান পেসার তাসকিন আহমেদ।
খানিক বাদে বিপজ্জনক সেদিকউল্লাহ আতালকেও প্যাভিলিয়নের পথ দেখান তিনি।
এরপর ৪৮ বলে ৩৪ রান করা ইব্রাহিম জাদরানকে মুস্তাফিজুর রহমান ফিরিয়ে দিলে তৈরি হয় একটু সম্ভাবনা।
কিন্তু অলৌকিক কিছু ঘটিয়ে ফাইনালে যেতে হলে দ্রুত আরও ৭টি উইকেট তুলে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় ছিল না। আর সেই সুবর্ণ সুযোগটি বাংলাদেশকে দেননি অভিজ্ঞ রহমত শাহ। একপ্রান্ত আগলে রেখে সাবলীল ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৬৬ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ২৭.১ ওভারে আফগানিস্তানের দলীয় স্কোর ১২১ রান ছাড়াতেই টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশের ফাইনালের স্বপ্ন ধুলো মিশে যায়। আগামী ২৩ অক্টোবর শিরোপার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।








