অক্টোবর ১২, ২০২৬ ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ

২ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর নেইমারের জোড়া গোলে উদ্ধার সান্তোস

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

স্পোর্টস ডেস্ক , অমৃতালোক:
দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি সান্তোস। বিরতির পর মাঠে নেমে মাত্র ৬ মিনিটের ব্যবধানে পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করে দলকে নিশ্চিত পরাজয় থেকে বাঁচিয়েছেন নেইমার জুনিয়র।

তার নৈপুণ্যে ব্রাজিলের লিগে শীর্ষে থাকা ফ্লামেঙ্গোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে সান্তোস।
বাংলাদেশ সময় আজ (৯ অক্টোবর) ভোরে সান্তোসের মাঠ ভিলা বেলমিরোতে ব্রাজিলিয়ান লিগের ২৯তম রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। প্রথমার্ধে দাপট দেখায় ফ্লামেঙ্গো।

৪৩ মিনিটে দানিলোর গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকাস পাকেতা।

ফলে বিরতিতে যাওয়ার সময় ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল অতিথিরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সান্তোসের হয়ে মাঠে নামেন নেইমার। চোট কাটিয়ে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর মাঠে ফিরেই দলের ভাগ্য বদলে দেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
৮২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান নেইমার।

এরপর ৮৮ মিনিটে আরেকটি পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে সান্তোসকে সমতায় ফেরান।

দ্বিতীয় পেনাল্টির ঘটনায় ফ্লামেঙ্গোর রক্ষণভাগে চাপ আরো বাড়ে। এর আগে প্রথম পেনাল্টির ঘটনায় ভিএআর পর্যালোচনার পর জর্জিনিও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। ফলে ম্যাচের শেষ দিকে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় ফ্লামেঙ্গোকে।

সমতায় ফেরার পর জয়ের জন্যও চেষ্টা চালায় সান্তোস।

তবে গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পোর একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে তা আর হয়নি।
এই ড্রয়ে পয়েন্ট ভাগাভাগি করলেও লিগের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফ্লামেঙ্গো। অন্যদিকে, চোট থেকে ফিরেই নেইমারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স সান্তোসকে গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট এনে দিয়েছে।

ম্যাচ শেষে নেইমার বলেছেন, ‘ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে খেলা সব সময়ই কঠিন। আমার মতে, ব্রাজিলের সেরা দুটি দল হলো সান্তোস ও ফ্লামেঙ্গো। এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরতে পারাটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

আরেকবার চোট কাটিয়ে ফেরা প্রসঙ্গে নেইমার বলেন, ‘নিজের শরীরের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হয়েছে। ডান পায়ে অতিরিক্ত চাপ দিতে চাইনি। তাই কিছু ক্ষেত্রে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু সাবধানে খেলেছি। তবে মাঠে ফিরতে পেরে এবং দলকে সাহায্য করতে পেরে খুব খুশি।’

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ