এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ

লোডশেডিংয়ে নাকাল ঝিনাইদহের জনজীবন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিজস্ব প্রতিবেদক,অমৃতালোক :

দিন কিংবা রাত অবিরাম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ঝিনাইদহের জনজীবন। শহর থেকে গ্রাম সবখানেই বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গরমের তীব্রতায় যখন স্বস্তির জন্য বিদ্যুৎ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, ঠিক তখনই ঘন ঘন লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না।

এতে করে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ সব শ্রেণির মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। রাতের বেলায় লোডশেডিং আরও বেড়ে যাওয়ায় ঘুমহীন রাত কাটাতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে।
ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকায় পানির সংকটও দেখা দিচ্ছে। অধিকাংশ বাসায় পানির পাম্প বিদ্যুৎনির্ভর হওয়ায় পানি উত্তোলন ব্যাহত হচ্ছে।

ফলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও উৎপাদন ও বিক্রিতে ধস নেমেছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, পড়াশোনায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।

গরমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
শহরের হামদহ এলাকার চা ব্যবসায়ী বাবু মিয়া বলেন, কয়েকদিন ধরে গরম পড়ছে প্রচুর। এর মধ্যে চলছে ঘন ঘন লোডশেডিং। গরমের জন্য ক্রেতারা দোকানে আসছে না।

একই অবস্থা সিভিল সার্জন গেট এলাকার সৈয়দ রেস্টুরেন্টে।

সৈয়দ রেস্টুরেন্টের মালিক সৈয়দ আলী বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগেও ভালো কেনা-বেচা হচ্ছিল। তবে লোডশেডিং শুরুর গরমের জন্য এখন অনেকে রেস্টুরেন্টে খেতে আসে না।

এ ব্যাপারে ওজোপাডিকো ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী দীন মোহাম্মদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি ও জ্বালানি সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চলমান লোডশেডিংয়ের বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। এ সংকট নিরসনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ