খাইরুল ইসলাম ,অমৃতালোক:
ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) বিশেষ অভিযানে পিস্তল,ইয়াবা ও জাল টাকাসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মো.নাহিদ কাজী নামে বহিস্কৃত এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তার বসতঘরে তল্লাশী চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে একটি অটোমেটিক ক্যালিভার ৭.৬২ মিমি চায়না পিস্তল।
উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নাহিদের নিজ বাড়ি কাজী বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। তিনি চরপাতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,এছাড়া তিনি ওই বাড়ির আব্দুল মান্নান কাজীর ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে,এটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় থানা থেকে লুন্ঠিত অস্ত্রের মধ্যে একটি।
ভোলা জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে দুলারহাট থানাধীন নীলকমল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষেরহাট লঞ্চঘাট থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জাল নোটসহ মো.মান্নান (৩৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া লালমোহন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ডিবির অভিযানে ৮৪৮ পিস ইয়াবাসহ মো.জাহিদ হাসান (৩৮) ও মো.নুরুল ইসলাম (৩৭) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বাড়ি চট্রগ্রামে।
এছাড়া চরফ্যাশন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে থানা পুলিশের অভিযানে মো.হাচনাইন (২৬) ও মো হাফেজ (৪০) আরও দুজনক গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ভোলার পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে,আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং এসব মামলায় অধিকতর তদন্তের জন্য আদালতে আসামিদের রিমান্ড আবেদন করা হবে। ভোলা জেলা পুলিশ অপরাধ দমন,অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার,জাল নোটের বিস্তাররোধ,এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতেও ভোলা জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে








