সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ৪:৫১ অপরাহ্ণ

উপকূলীয় ও দ্বীপ অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

অমৃতালোক প্রতিবেদক:

‎উপকূলীয় ও প্রত্যন্ত দ্বীপ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এক অনন্য ও যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (BIWTC)-এর অত্যাধুনিক ও বিলাসবহুল যাত্রীবাহী জাহাজ এমভি মধুমতি, এমভি রূপসা এবং এমভি সুগন্ধা-কে আধুনিক ‘ভাসমান হাসপাতাল’-এ রূপান্তর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার

বিকেলে ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) বাদামতলী বিআইডব্লিউটিসির টার্মিনালে এই বিশেষ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের সময় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী,অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: রাজিব আহসান,
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব, ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য এবং বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল বারী ড্যানি । এছাড়াও বিআইডব্লিউটিসি’র পরিচালকবৃন্দসহ দুই মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন। ‎অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “উপকূলীয় ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক উন্নত চিকিৎসা সেবা পাওয়া দীর্ঘদিনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নির্দেশনায় সরকারের এই পদক্ষেপ গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এই ভাসমান হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে অত্যাধুনিক চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ সরাসরি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করে জানান, নৌপথকে ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প একটি অনন্য নজির স্থাপন করবে। জাহাজগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুবিধাদিসহ ভাসমান হাসপাতালে রূপান্তর করতে বিআইডব্লিউটিসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, প্রাথমিকভাবে এই জাহাজগুলোতে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি ল্যাব এবং বহিঃবিভাগসহ একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা হবে। এর ফলে দুর্যোগপূর্ণ সময় কিংবা সাধারণ সময়েও প্রত্যন্ত অঞ্চলের নদীমাতৃক মানুষজন মূল ভূখণ্ডে না এসেই উন্নত চিকিৎসাসেবা লাভ করতে পারবেন।পরিদর্শন শেষে অতিথিবৃন্দকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। সরকারের এই জনকল্যাণমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সদরঘাটে উপস্থিত সাধারণ যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

বিভাগীয় সংবাদ