স্পোর্টস ডেস্ক , অমৃতালোক:
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বড় হারের মুখ দেখল স্বাগতিক বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দেওয়া চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানেই অলআউট হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। ১২৮ রানের বড় জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরল সফরকারী পাকিস্তান।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৩ রানের মাথায় দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২) সাজঘরে ফেরেন। স্কোরবোর্ডে আর মাত্র ২ রান যোগ হতেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (০) শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। এরপর লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ যখন ৬.৩ ওভারে ৩ উইকেটে ২৭ রান, তখনই বৃষ্টি হানা দেয়।
বৃষ্টির পর খেলা পুনরায় শুরু হলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে স্বাগতিকদের প্রয়োজন ছিল আরও ২১৬ রান। নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন ও হৃদয় আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন।
তবে ব্যক্তিগত ৪১ রানে লিটন দাস সাজঘরে ফিরলে ভেঙে যায় ৫৮ রানের জুটি। ৩৩ বলের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান। এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন আফিফ হোসেন (১৪), মেহেদী মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেন (২)। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও ৩৮ বলে ২৮ রান করে বিদায় নেন।
শেষ দিকে মাত্র ১৯ রান যোগ করতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ফলে ৫১ বল বাকি থাকতেই ১১৪ রানে থেমে যায় লাল-সবুজের ইনিংস। পাকিস্তানের পক্ষে হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান নির্ধারিত ওভারে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে মাজ সাদাকাত ৭৫, সালমান আগা ৬৪ এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৪ রান করেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিশাদ হোসেন সর্বোচ্চ তিনটি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি উইকেট নেন। বাকি তিন বোলার একটি করে উইকেট শিকার করেন।
উল্লেখ্য, প্রথম ওয়ানডেতে একই ব্যবধানে (১১৪ রান) অলআউট হয়ে ৮ উইকেটে হেরেছিল পাকিস্তান। দ্বিতীয় ম্যাচে সমতায় ফেরায় আগামী ১৫ মার্চ মিরপুরেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডে।








